যে দেশে একটা বিড়ি আর এককাপ লাল চা দিয়ে একটা ভোট কেনা যায় পাঁচ বছরের জন্য, সেখানে ভোটের মাধ্যমে সংসদ ও সরকার গঠিত হলেও সত্যিকার অর্থে গনতন্ত্র পাওয়া বা প্রতিষ্ঠা করা বাতুলতা মাত্র। তা এখনও সূদুর পরাহত। আমাদের দেশে যখন জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়বে ঠিক লোককে নির্বাচিত করতে, সেদিনই গনতন্ত্র অর্থবহ হবে। যতদিন সরাসরি মার্কাতে ভোট হবে অর্থাৎ BNP বা AL করি বলেই বিবেক বিসর্জন দিয়ে আর চোখ বন্ধ করে তা বৈধ করবো, ততদিন সে আশা দূরাশা।
এই দেশে এমন একটা ভাব AL না করলে সে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারন করতে পারবে না। ভাবটা এমন দেশটা শুধুমাত্র আওয়ামীলীগ স্বাধীন করে ছিলো। আসলে এই দেশের মানুষ খুব ভালো। কোন কিছুই বেশি দিন স্মরণে রাখতে চাইনা (Basically তাদের স্মৃতিশক্তি খুব দূর্বল-এটা প্রমানিত সত্য) এদেশে যে সব ঘটনা ঘটে, অন্য কোন দেশ হলে তা এক হাজার বছর মনে রাখতো। ১৯৭১-এর কথায় তার বড় প্রমান। আমাদের জায়গায় ঐ পাকিস্তান হলেও তারাই আমদেরকে ভুলতনা বহুবছর। অথচ আজ আমরা তাদের ও তাদের সহযোগী শক্তিদের ভুলে গেছি। এদেশে শুধু শুধু লাফালাফি চলে। কাজের কাজ কিছুই হয়না বা করতে দেওয়া হয়না। দূর্নীতি এখন আমাদের রক্তের রন্ধ্রে রন্ধ্রে। দেশ clearly এখন দুটো ধারায় বিভক্ত। এমনকি ওলামা পরিষদ আর মৎস্যজীবি জেলে পরিষদও। এ জোড়া লাগতে কয়শো বছর লাগবে কেউ কি বলে দিবেন? আমি নিশ্চিত কেউ জানেনা। আমাদেরকে অপেক্ষা করতে হবে ততদিন পর্যন্ত, যতদিন সেই নেতা না আসবে.....................