দেশের তৈরি পোশাক শিল্পগুলো ধ্বংস করতে সুপরিকল্পিতভাবে হামলা করা হচ্ছে। নষ্ট করা হচ্ছে হাজার হাজার কোটি টাকার প্রতিষ্ঠান। বেকার হয়ে পড়েছে চার হাজারের অধিক শ্রমিক। তাদের পরিবারগুলো চরম উৎকন্ঠায় ভুগছে। মাসের শেষ দিকে এ ঘটনা ঘটায় গত মাসের বেতন নিয়েও অনিশ্চয়তায় রয়েছেন শ্রমিকরা। উল্লেখ্য গত ২৯ জুন দুপুরে বহিরাগত শ্রমিকরা সাভারের আশুলিয়ায় দ্যাটস নিট লিঃ নামে হামীম গ্রুপের কারখানা, মালামাল ও যন্ত্রাংশ পুড়িয়ে দিলে প্রায় ১০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়। ঠিক তখনই প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ উপদেষ্টা ডা. মোদাচ্ছের আলী মন্তব্য করছেন, গার্মেন্টস সেক্টরে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য শ্রমিক ও মালিকপক্ষ দায়ী এবং একই সঙ্গে অন্যদিকে বাণিজ্যমন্ত্রী লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান শ্রমিক অসন্তোষ ও মালিকদের বিলাসী জীবনকে বেশী দায়ী করেছেন। পূর্বে তিনি বিডিআর ঘটনায় তদন্তের আগেই মারাত্মক জঙ্গী ষড়যন্ত্র (পরে তদন্তে তা ভ্রান্ত প্রমানিত হয়) খুঁজে পেলেও এখানে তা পাচ্ছেন না। যদিও তিনি এসবের জন্য দায়ী ব্যাক্তিদের খুঁজে বের করে বিচার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
বাংলাদেশে বেশকিছু গার্মেন্টস বিদেশী ও বাংলাদেশী যৌথ মালিকানায় পরিচালিত হচ্ছে। সন্ত্রাসীরা ঝুট নিয়ে চাঁদাবাজি ও গার্মেন্টসের নিয়োজিত ক্রেতাদের হুমকি প্রদান করায় বিদেশী নাগরিকরা রীতিমত হতাশ। যেকোন সময় অনেক গার্মেন্টস বন্ধ করে দেয়ার হুমকিও বিদেশী নাগরিকরা দিয়েছেন। এরমধ্যে সন্ত্রাসীদের গার্মেন্টসে ঝুট নিয়ে চাঁদাবাজিতে দেশী মালিকরা অস্থির। সন্ত্রাসীরা ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে জোরপূর্বক ঝুট নিয়ে যায় এবং পাশাপাশি মোটা অংকের চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দিলে গার্মেন্টসের মালামাল আনা নেয়ার যানবাহন আটক করে মালপত্র লুট করে নিয়ে যায়। এইসব সন্ত্রাসী কতিপয় রাজনৈতিক নেতার ছত্রচ্ছায়ায় থাকায় পুলিশ নীরব ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।
এরকম অরাজক অবস্থা চলতে থাকলে রপ্তানী খাতের এইসকল সেক্টর ধ্বংস হতে আর বেশী দেরী হবেনা। এমনিতেই গার্মেন্টস সেক্টর চরম প্রতিযোগীতার মাঝে পড়েছে। ইউরোপ ও আমেরিকার দেশগুলোর বাজার এখন ভারত, চীন, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, মিশর, পাকিস্থান ও মধ্য এশিয়ার কিছু দেশের দখলে চলে যাচ্ছে। তাছাড়া নতুনভাবে যোগ বা চাঙ্গা হতে যাচ্ছে শ্রীলংকা। বর্তমানে এলটিটিই গেরিলা বিরোধী যুদ্ধে জয়ী হওয়ার পর তাদের অর্থনীতি দিনে দিনে চাঙ্গা হচ্ছে এবং অতি অল্প সময়ে তা দক্ষিন এশিয়ার যেকোন দেশকে ছাড়িয়ে যাবে। সুতরাং আমাদের দেশে যেকোন সেক্টর, ব্যবসা ও ব্যাক্তি পর্যায়ে এই চাঁদাবাজির টুটি এখনই চেপে না ধরলে সবকিছু শেষ হয়ে যাবে। সমাজে ইতিমধ্যেই অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। অথচ এই সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে অন্যতম ওয়াদা ছিল এই চাঁদাবাজি সম্পূর্ন বন্ধ করা হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর যেকোন মুল্যে এসব বন্ধ করা হবে সংক্রান্ত কথাগুলো এরমধ্যেই ফাঁকাবুলি হিসেবে প্রমানিত হয়ে গেছে। থানায় ওসি সাহেবরা আওয়ামী ক্যাডারদের ভয়ে আছে। কয়েক জায়গায় ধুমকি-ধামকি ছাড়াও শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত হয়েছেন তারা।
চাঁদাবাজি এখন রীতিমত এক শিল্প আকারে বিকাশ ঘটছে।
এখন সরকারের উচিত হবে ঘটনার ভিতরে গিয়ে অতিদ্রুত এসবের সমাধান করা। তা নাহলে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন ও শ্লোগান আগামী একশো বছরেও পূরন হবে না।
বাংলাদেশে বেশকিছু গার্মেন্টস বিদেশী ও বাংলাদেশী যৌথ মালিকানায় পরিচালিত হচ্ছে। সন্ত্রাসীরা ঝুট নিয়ে চাঁদাবাজি ও গার্মেন্টসের নিয়োজিত ক্রেতাদের হুমকি প্রদান করায় বিদেশী নাগরিকরা রীতিমত হতাশ। যেকোন সময় অনেক গার্মেন্টস বন্ধ করে দেয়ার হুমকিও বিদেশী নাগরিকরা দিয়েছেন। এরমধ্যে সন্ত্রাসীদের গার্মেন্টসে ঝুট নিয়ে চাঁদাবাজিতে দেশী মালিকরা অস্থির। সন্ত্রাসীরা ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে জোরপূর্বক ঝুট নিয়ে যায় এবং পাশাপাশি মোটা অংকের চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দিলে গার্মেন্টসের মালামাল আনা নেয়ার যানবাহন আটক করে মালপত্র লুট করে নিয়ে যায়। এইসব সন্ত্রাসী কতিপয় রাজনৈতিক নেতার ছত্রচ্ছায়ায় থাকায় পুলিশ নীরব ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।
এরকম অরাজক অবস্থা চলতে থাকলে রপ্তানী খাতের এইসকল সেক্টর ধ্বংস হতে আর বেশী দেরী হবেনা। এমনিতেই গার্মেন্টস সেক্টর চরম প্রতিযোগীতার মাঝে পড়েছে। ইউরোপ ও আমেরিকার দেশগুলোর বাজার এখন ভারত, চীন, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, মিশর, পাকিস্থান ও মধ্য এশিয়ার কিছু দেশের দখলে চলে যাচ্ছে। তাছাড়া নতুনভাবে যোগ বা চাঙ্গা হতে যাচ্ছে শ্রীলংকা। বর্তমানে এলটিটিই গেরিলা বিরোধী যুদ্ধে জয়ী হওয়ার পর তাদের অর্থনীতি দিনে দিনে চাঙ্গা হচ্ছে এবং অতি অল্প সময়ে তা দক্ষিন এশিয়ার যেকোন দেশকে ছাড়িয়ে যাবে। সুতরাং আমাদের দেশে যেকোন সেক্টর, ব্যবসা ও ব্যাক্তি পর্যায়ে এই চাঁদাবাজির টুটি এখনই চেপে না ধরলে সবকিছু শেষ হয়ে যাবে। সমাজে ইতিমধ্যেই অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। অথচ এই সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে অন্যতম ওয়াদা ছিল এই চাঁদাবাজি সম্পূর্ন বন্ধ করা হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর যেকোন মুল্যে এসব বন্ধ করা হবে সংক্রান্ত কথাগুলো এরমধ্যেই ফাঁকাবুলি হিসেবে প্রমানিত হয়ে গেছে। থানায় ওসি সাহেবরা আওয়ামী ক্যাডারদের ভয়ে আছে। কয়েক জায়গায় ধুমকি-ধামকি ছাড়াও শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত হয়েছেন তারা।
চাঁদাবাজি এখন রীতিমত এক শিল্প আকারে বিকাশ ঘটছে।
এখন সরকারের উচিত হবে ঘটনার ভিতরে গিয়ে অতিদ্রুত এসবের সমাধান করা। তা নাহলে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন ও শ্লোগান আগামী একশো বছরেও পূরন হবে না।


